তীব্র শীতের প্রভাবে রিকশা-ভ্যান চালক, দিনমজুর, কৃষি শ্রমিকরা পথে ও মাঠে নেমে সামান্য কাজ করেই কাবু হয়ে পড়েছে। পথশিশু সাইফুলসহ আরো অনেকে পটুয়াখালীর ঝাউতলা এলাকায় সন্ধার পর বাদাম বিক্রি করে আয় উপার্জন করে। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে অত্র এলাকায় প্রচন্ড কুয়াশা পড়ছে। সেই সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস বেড়ে যাওয়ায় ঝাউতলায় লোক সমাগম কমেছে। তাই বেচাকেনা হচ্ছে না তাদের তেমন।
এদিকে এ সব নিম্নআয়ের লোকজন অর্থের অভাবে শীতবস্ত্রও কিনতে পারছেন না।
.png)
কলাতলা এলাকার পিঠা বিক্রেতারা বলেন, শীতকালে আমাদের পিঠার দোকানে বেচাকেনা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু শীতের তীব্রতা সন্ধার পর বেশি বেড়ে যাওয়ায় মানুষ ঘর থেকে বাইরে কম বেড় হয়। এ কারণেই পিঠা বিক্রি কম হচ্ছে।
পটুয়াখালী আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার পর্যন্ত পটুয়াখালীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কয়েকদিন তীব্র শীত অব্যাহত থাকবে।
আবহাওয়া অফিস থেকে আরো বলা হয়েছে, দুপুরে একটু গরম আবহাওয়া থাকলেও রাতে এবং সকালে তীব্র শীত অনুভূত হবে। শীতের এই দাপট চলবে আরো কয়েকদিন। এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে নৌপথে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। মহাসড়কে বাড়ি যানবাহন চলাচলে বাড়তি সর্তকর্তা অবলম্বন করতে হচ্ছে। পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শীতজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি হয়েছে।
স্থানীয় ডা. মিঠুন চন্দ্র হাওলাদার বলেন, ঠান্ডায় শিশুদের নিউমোনিয়া ও ডিপথেরিয়া রোগ বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও বয়স্কদের শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা, অ্যালার্জি, চর্মরোগ বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা থাকে। এ সময় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।