গ্রেফতারকৃত সুমন মিয়া ওরফে বেকার সুমন উপজেলার খারুয়া ইউপির কোনাবাঘারি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকেলে যাত্রী বহন করেন।
মঙ্গলবার দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণীকে জেলার ভালুকা উপজেলা থেকে উদ্ধার করা হয়। তরুণীকে উদ্ধারের পর ওই দিন সন্ধ্যায় জেলার ফুলপুর উপজেলা থেকে সুমনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে সুমন মিয়া ওরফে বেকার সুমন ও একই গ্রামের মো. খোরশেদ উদ্দিনের ছেলে আমানুল্লাহকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
.png)
ভুক্তভোগী তরুণীর ভাষ্য, গত শুক্রবার তিনি আত্মীয়ের বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি যাওয়ার জন্য গফরগাঁও রেলস্টেশনে যান। সেখানে সুমন মিয়া তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে করে নান্দাইলের কোনাবাড়ি গ্রামের এক জঙ্গলে নিয়ে দুজন মিলে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে তাকে দেওয়ানগঞ্জ বাজারে অবস্থিত একটি মন্দিরের কাছে ফেলে রেখে যায়। পরে ঘটনাটি এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল হাসনাত মিন্টুকে জানান তিনি। কিন্তু চেয়ারম্যানের নির্দেশে তার লোকজন তাকে ভয় দেখিয়ে নান্দাইল থেকে তাড়িয়ে দেয়। এই সময় তার হাতে ৫ হাজার টাকাও ধরিয়ে দেন চেয়ারম্যান।
ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামরুল হাসনাত মিন্টু বলেন, ওই তরুণীকে পাঁচ হাজার টাকা দেইনি। ওই তরুণী শুক্রবার রাতে আমার কাছে এসে বলে আমাকে টাকা দেন; আমি বাড়িতে যাব। পরে তাকে ১০০ টাকা দিয়ে বাড়িতে চলে যেতে বলি। তাছাড়া, ওই তরুণী তখন ধর্ষণের কোনো অভিযোগ তখন আমার কাছে করেনি।
ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ওই তরুণীকে খোঁজে না পাওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যায়নি। তরুণীকে উদ্ধার করার পর তার অভিযোগের ভিত্তিতে প্রধান অভিযুক্ত সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় অপর আসামিকে গ্রেফতার করে অভিযান চলছে। ঘটনায় মামলা হয়েছে। তবে, চেয়ারম্যান মো. কামরুল হাসনাত মিন্টু'র বিষয়টি আমার জানা নেই।