নিহতরা হলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলাম সুমি, সদর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের জোহরা বেগম ও একই এলাকার বাসিন্দা ও ভ্যান চালক মাসুম হোসেন। আহতরা হলেন যবিপ্রবির মাস্টার্স বর্ষের শিক্ষার্থী মোতাসিন বিল্লাহ ও সদরের কমলাপুর গ্রামের আমজেদ আলী।
নিহত জোহরা বেগমের স্বামী ও প্রত্যক্ষদর্শী আমজেদ আলী জানান, চুড়ামনকাটি বাজার থেকে তারা ভ্যানযোগে চৌগাছা সড়কের বেলতলার দিকে যাচ্ছিলেন। ভ্যানে তারাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় আরেকজন যাত্রী ছিলেন। পথিমধ্যে চুড়ামনকাঠি রেলক্রসিংয়ের পাশে ইট ভাটার সামনে পৌঁছালে চৌগাছা থেকে বিএডিসির একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। ভাগ্যক্রমে আমি বেঁচে গেলেও ঘটনাস্থলে ভ্যানচালকসহ তিনজন মারা যান। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুই জন। দ্রুতগতিতে ট্রাকটি আসছিলো বলে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
.png)
যশোর কোতয়ালি মডেল থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় ভ্যানচালকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছে আরো দুই জন। ঘাতক বিএডিসি ট্রাকটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে নিহত ও আহত শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিতে আসেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।
তিনি বলেন, প্রায়ই এই সড়কে ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে। ড্রাইভারদের বেপরোয়া চলাচল ও গতির কারণ এটার প্রধান কারণ। তিনি এটি রোধে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। একই সঙ্গে নিহত শিক্ষার্থীদের আত্মার শান্তি ও আহত শিক্ষার্থীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।