সোমবার বিকেল থেকে কনকনে শীতের সঙ্গে বাতাস বইতে শুরু করেছে। সন্ধ্যার পর বাতাস কিছুটা বাড়তে থাকলে জনমনে অস্বস্ত্বির দেখা দেয়। সন্ধার পর থেকে কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে নগরী। এই কুয়াশার সঙ্গে আকাশ থেকে শিশির ও দুই এক ফোটা করে বৃষ্টি পড়তে দেখা গেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে কুয়াশায় ঢাকা পড়ে রাজশাহী অঞ্চল। এই রিপোর্ট লেখা বেলা ১২ টা গড়িয়ে গেলেও সূর্যের দেখা মেলেনি।
ঘনকুয়াশায় পথঘাট ঢাকা পড়ে যাওয়ায় মহাসড়কে যানবাহন লাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা গেছে। কুয়াশার কারণে সঠিক সময়ে যানবাহন গন্তব্য স্থানে পৌছতে দেরী হচ্ছে বলে গোদাগাড়ী বাস কাউন্টার মাস্টার হারুন আলী জানান।
.png)
আবহাওয়া কর্মকর্তারা বলছেন, ঠান্ডা বাতাসের কারণে এই তাপমাত্রা গায়ে লাগছে না কারোরই। আর এই হিমেল হাওয়ার দাপটেই কাঁপছে রাজশাহীসহ উত্তর জনপদের ছিন্নমূল মানুষ।
বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যারা দিনমজুর তারা ঠান্ডার কারণে বিছানা থেকে উঠতে দেরি করায় কাজে যেতে বিলম্ব হচ্ছে। চাকরীজীবীরাও কিছুটা বিলম্বে অফিসে যাচ্ছে। বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট খুলছে দেরিতে।
এই শীতে বেশী কষ্ট পাচ্ছে বৃদ্ধ ও শিশুরা। আর এই শীতে ঠান্ডাজনিত রোগ দেখা দেওয়ায় হাসপাতাল গুলোতে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ফসলের বীজ তলা ঠিকমত পরির্যা করতে না পারা ও কুয়াশায় চারা নষ্ট হওয়ায় কৃষকরা পড়েছে বিপদে।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন জানান, মঙ্গলবার সকালে রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজশাহী অঞ্চল গত কয়েকদিন ধরেই শৈত্য প্রবাহ চলমান রয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ হালকা পরিষ্কার হতে পারে। এছাড়া আকাশে মেঘ ও কুয়াশাও আছে। আগামী আরো এক সপ্তাহ এমন আবহাওয়া থাকবে বলে জানান।