বুধবার সাড়ে সকাল ৮টার দিকে শহরের পিটিআই মহাসড়ক এবং নতুন বাজার, ঢাকা রোড, ভায়না মোড, স্টেডিয়াম এলাকার মহাসড়কগুলোতে ঘন কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ্বালিয়ে ও ধীরগতিতে যান চলাচল করতে দেখা গেছে। এছাড়া দিনের অধিকাংশ সময়ই সূর্যের দেখা মেলে না। ফলে শীতের দাপটে জনজীবনে দুর্ভোগের পাশাপাশি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন এখানকার খেটে খাওয়া মানুষ।
ফেরি করে মাছ বিক্রি করেন বিমল বিশ্বাস। তিনি বলেন, দিনের অধিকাংশ সময়েই কুয়াশা থাকছে। গতকাল তো আকাশে সূর্য দেখা যায়নি এবং আজও একই অবস্থা। মনে হচ্ছে আজও সূর্য ওঠবে না! এ কারণে জরুরি প্রয়োজন আর অফিসগামীরা ছাড়া রাস্তায় কেউ বের হচ্ছে না। মাছ বেচাকেনা খুব কম হচ্ছে।
.png)
মাগুরা পশু হাসপাতাল পাড়ার শহীদ রাশেদ মার্কেট এলাকার বাসিন্দা খন্দকার মোহাম্মদ আলী বলেন, গত কয়েক দিন ধরেই ঘন কুয়াশা আর প্রচন্ড শীত পড়ছে। যে কারণে নিম্নআয়ের মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। তারা সময় মতো কাজে যেতে পারছেন না। অনেকেই আবার কর্মহীনতায় পড়েছেন। শীতের জন্য আমার ভাগ্নিটাকে ঠিকমতো স্কুলে আনা-নেয়া করতে পারছি না।
জামরুল তলা এলাকার ব্যবসায়ী উজ্জ্বল বসু জানান, তীব্র কুয়াশা আর শীতের কারণে শহরের মানুষ ঘরের বাইরে কম বের হচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজন ও অফিসগামী মানুষ ছাড়া বাইরে তেমন লোকজনের দেখা মিলছে না। শীত যদি আরো বাড়তে থাকে তাহলে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে আসবে।
এদিকে শীতে প্রকোপে বেড়েছে নানান শীতজনিত রোগ। জ্বর, সর্দি-কাঁশি, শ্বাসকষ্ট, ডায়েরিয়া, নিউমোনিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত রোগ নিয়ে হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হচ্ছেন রোগীরা।
অন্যদিকে মার্কেটগুলোর পাশাপাশি শহরের পোস্ট অফিস এবং থানার সামনের দোকানগুলোতে শীতের কাপড়ের বেশ কদর বেড়েছে। সেখানে অনেকটাই ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
শীতের কাপড় কিনতে আসা সাতদোহা এলাকার বাহার শিকদার জানান, হঠাৎ করে প্রচন্ড শীত পড়ায় গরম কাপড়ের কদর বেড়েছে। কিন্তু এত দাম যে, আমাদের মতো মানুষের কেনা দুষ্কর।