একই সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ইতিহাস ঐতিহ্য সংরক্ষণ করতে কালচারাল একাডেমি স্থাপন করার পরিকল্পনাও চলছে। উপজেলার নয়াবিল ইউপির দাওধারা কাটাবাড়ি পাড়া মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগের ৩৫০ একর পাহাড়ি টিলা শ্রেণির খাস জমি উদ্ধারের পর পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খৃষ্টফার হিমেল রিছিল।
জানা যায়, শেরপুর জেলার গারো পাহাড় প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্যে ভরপুর। এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় প্রতিদিনই ভ্রমণ পিপাসুরা ভিড় জমান। তাই পর্যটন খাতকে কাজে লাগিয়ে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের সম্ভাবনাও সৃষ্টি হচ্ছে।
.png)
নালিতাবাড়ীতে সুদীর্ঘকাল থেকে গারো, কোচ, ডালু, হদি ও বানাইসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের বসবাস। এসব ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের রয়েছে আলাদা আলাদা কৃষ্টি কালচার ও সমাজ ব্যবস্থা। এসব কৃষ্টি কালচার ও ইতিহাস ঐতিহ্য ধরে রাখতে একটি কালচারাল একাডেমি স্থাপনের দাবিটি ছিল দীর্ঘ দিনের। সেই দাবী পূরণ ও সরকারি রাজস্ব আদায়ের লক্ষে গারো পাহাড়ে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খৃষ্টফার হিমেল রিছিল সরেজমিনে গিয়ে বিভিন্ন দাগের ৩৫০ একর খাস জমি উদ্ধার করেন।
ইউএনও খৃষ্টফার হিমেল রিছিল বলেন, নয়াবিল ইউনিয়নের দাওধারা কাটাবাড়ি এলাকায় ৩৫০ একর খাস জমি চিহ্নিত করে তা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত খাসজমিতে কালচারাল একাডেমি স্থাপন ও গারো পাহাড়ে অপার সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা আকারে পাঠানো হবে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা হবে।