ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ফুলকপি চাষে লাভবান এনামুল

রনি আকন্দ, কালাই (জয়পুরহাট) 
প্রকাশিত: ১৫:৩১, ১৭ জানুয়ারি ২০২৩
ফুলকপি চাষে লাভবান এনামুল
ফুলকপি চাষে সফল এনামুল

জয়পুহাটের কালাইয়ে বায়ারের হাইব্রিড জাতের ৫৩-৪০ ফুলকপির ভালো ফলন হয়েছে। কেঁচো সার ব্যবহার করে ফুলকপি চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন তিনি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কম সময়ে, অল্প পরিশ্রমে ও স্বল্প খরচে অধিক মুনাফা করছেন তিনি। এক কথায় এই জাতের ফুলকপি চাষে সফল মো.এনামুল হক।

চাষি এনামুল হক জানান,  এবার ৬০ শতক জমি বর্গা নিয়ে বায়ারের হাইব্রিড জাতের ৫৩ ও ৪০ ফুলকপি রোপণ করেছেন তিনি। এই ফুলকপি চাষে ব্যবহার করেননি কীটনাশক ও রাসায়নিক সার। জৈব্যবালাই নাশক এবং কেঁচো সার ব্যবহার করে ফুলকপি চাষ করেছেন। রোপণের ৭০-৭৫ দিনের মধ্যেই বিক্রি করেছেন ফুলকপি। এবার বাজারে ফুলকপি চাহিদা রয়েছে প্রচুর। ফলে বাজারে চাহিদা থাকায় বিক্রি করতেও ঝামেলা নেই। তার জমিতে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কপির চারা রোপণ করেছেন। পাইকারি দরে এই পর্যন্ত ৯৫ টাকার ফুলকপি বিক্রি করেছেন। আরো ৩ হাজার পিস ফুলকপি বিক্রি করা যাবে। ফুলকপির উৎপাদন খরচ পড়েছে প্রায় ১৪ হাজার টাকা। তিনি আশা করছেন সকল খরচ বাদ দিয়ে মুনাফা হবে প্রায় দেড় লাখ টাকা। 

ফুলকপি চাষে সফল এনামুলকৃষক হাফিজার ও জালাল মিয়া জানান, ধান, আলু ও ভুট্টার চেয়ে ফুলকপি চাষে খরচ ও শ্রম দুটোই কম লাগে। এসব ফসল চাষে খরচের পাশাপাশি রোগ বালাইয়ের আক্রমণের আশঙ্কাও কম। তাই অন্যান্য ফসলের বদলে আগামীতে ফুলকপি চাষে করবেন তারা। 

Advertisement

আরেক কৃষক রিফাদ বলেন, ধান ও আলুর আবাদ করে লাভ তো দূরের কথা, বীজ, সার ও শ্রমিক খরচেই ওঠে না। আবার দামও ন্যায্য পাওয়া যায় না। কিন্তু এনামুল নতুন করে ফুলকপি চাষ করেই এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। 

কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অরুণ চন্দ্র রায় বলেন, এই অঞ্চলের আবহাওয়া ও মাটি সবজি চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এই উপজেলায় শীতকালীন ১০ হেক্টর জমিতে ফুলকপি চাষ হয়েছে। আমাদের কৃষি বিভাগের পরামর্শে এই অঞ্চলের মানুষ আধুনিক চাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন। চাষিরা শীতকালীন ফুলকপি চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। ফলে ফুলকপি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!