বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী জেলা শহরের উত্তর পৈরতলায় অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা।
জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফারহান ইসলাম জানান, মিষ্টির গাদ দিয়ে গুড় তৈরি করা হচ্ছিল- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই কারখানায় অভিযান চালানো হয়। কিন্তু আমরা পৌঁছার আগেই তারা মিষ্টির গাদগুলো প্রসেসিং করে ফেলে।
.png)
সেই কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, চিনি পুড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী নয় এমন রং, হাইড্রোজন ও সেকারিন মিশিয়ে ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরি করা হচ্ছে। তারা পঁচা মেয়াদোত্তীর্ণ গুড়ে এসব উপাদান ব্যবহার করে খেজুরের গুড় তৈরি করছিল। পরে সেখান থেকে ১২০ কেজি ভেজাল গুড়, ১০০ কেজি ভেজাল তিললাই (কদমা) ও অনুমোদিত রং, হাইড্রোজন এবং সেকারিন জব্দ করা হয়েছে।
কারখানার মালিক সাদেক মিয়াকে পাওয়া যায়নি। পরে ভ্রম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তার স্ত্রী বাহিজা বেগমকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
তিনি আরো জানান, ওই কারখানা থেকে ভেজাল গুড় তৈরি করে জেলা শহরের আনন্দ বাজারে তাদের নিজস্ব দোকানে বিক্রয় করে আসছিলেন। শীত মৌসুমে খেজুরের গুড়ের চাহিদা বেশি থাকায় তারা এই অসাধু উপায়ে ভেজাল গুড় তৈরি করে বিক্রি করতেন।