কুড়িগ্রামে টানা শৈত্যপ্রবাহ, বিপর্যস্ত জনজীবন
কুড়িগ্রাম জেলাজুড়ে দুদিন ধরে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। সোমবার সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তুহিন মিয়া।
নির্মাণশ্রমিক রহিম আলী ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ঠাণ্ডাত (ঠান্ডায়) হাত-পাও (হাত-পা) কাইপপের নাইগছে (কাঁপছে), শিরশির করি বাতাস গাত (শরীরে) নাইগবের নাগছে (লাগছে)। হামরা (আমরা) গরীব মানুষ! কামোত (কাজে) না গেইলে (গেলে) খামো (খাবো) কী।
.png)
ভ্যানচালক আব্বাস আলী ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আইতোত (রাতে) ঠাণ্ডায় ভ্যান চলবারে (চালাতে) পাং না (পারি না)। দিনোতো (দিনেও) ভ্যান চালাইলে (চালালে) শরীল (শরীর) ঠাণ্ডায় অবস হওয়ার মতন (মতো) হয়। এদোন (এমন) করি (করে) ঠাণ্ডায় ফেলাইলে (পরলে) কী করি (কিভাবে) চলিম (চলবো) বাহে।
রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা তুহিন মিয়া ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আজ জেলাজুড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। গতকাল মৃদু শৈত্যপ্রবাহ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের দেখা মেলায় ঠাণ্ডা তেমন অনুভূত হয়নি। কিন্তু আজ দেখা নেই সূর্যের। হিম বাতাসের কারণে বেশী অনুভূত হচ্ছে ঠাণ্ডা।