শুরুতেই ব্রকলির পাশাপাশি বেগুনি জাতের ফুলকপি চাষ করেন। যা দেখতে ব্রকলির মতো। সাধারণ ফুলকপি যেখানে ২০ থেকে ৩০ টাকা সেখানে এ কপি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে।
কৃষক আমেদ আলী জানান, জমিতে চার জাতের সবজি চাষ করেছেন তিনি। এর মধ্যে ব্রকলি লাগিয়েছেন ৯শ’ চারা আর বেগুনি কপি লাগিয়েছেন চারশ। প্রতিটি ব্রকলি ও বেগুনি কপি বিক্রি করছেন ৪০ টাকারও বেশি দরে। এরই মধ্যে তিনি প্রায় ১৫ হাজার টাকার সবজি বিক্রি করেছেন।
.png)
তিনি আরো জানান, বিভিন্ন জায়গা থেকে তার এ ক্ষেত দেখতে আসছেন উৎসুকরা। আগামী বছর আরো বেশি জমিতে বেগুনি কপি চাষের ইচ্ছা রয়েছে তার।
পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের সহায়তায় সমন্বিত সবজি চাষের তত্ত্বাবধায়ক শাহিন হোসেন জানান, তাদের সংস্থা থেকে কৃষককে বীজ সার ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হয়। এছাড়া বিষমুক্ত সবজি চাষে সহায়তা করা হয়।
জয়পুরহাট সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কায়সার ইকবাল জানান, অল্প জমিতে এ ধরনের কপি চাষে বেশ সফল হয়েছেন কৃষক আমেদ আলী। অন্যান্য কৃষকের মাঝে এ চাষ পদ্ধতি সম্প্রসারণ করা হবে।