আহতদের উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও মেহেরপুর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন মেহেরপুর সদর উপজেলার রাজনগর গ্রামের দরুদ শেখের ছেলে রাহাত, দোদুল, দোদুলের ছেলে সামিউল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, স্ত্রী খাজিরন নেছা, মেয়ে সুমাইয়া খাতুন ও সোহাইমা খাতুন, জাকিরুল ইসলাম ও তার মেয়ে জুই খাতুন, স্ত্রী লিমা খাতুনও ছেলে জুবাইয়ের হোসেন, ছুরমান আলীর স্ত্রী পলি খাতুন, ঝন্টু আলীর ছেলে নাহিদ হোসেন, রাশিদুল ইসলামের স্ত্রী মুক্তি খাতুন, ছুরমান আলীর ছেলে সম্রাট, নজরুল ইসলামের স্ত্রী টুলু খাতুন, হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন, হাফিজুল ইসলামের ছেলে হাসিবুল, সাইফুল ইসলামের ছেলে আব্দুর রাহিম, টিপু সুলতানের স্ত্রী আসমানি খাতুন, মুকুল হোসেনের স্ত্রী মিলি খাতুন, আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে জাকির হোসেন, মোমিনপুর গ্রামের মুকুল হোসেনের স্ত্রী পলি খাতুন, ছেলে মন্টু, মুকুল হোসেনের স্ত্রী মুক্তি খাতুন।
.png)
আহতরা বলেন, মেহেরপুর সদর উপজেলার রাজনগর গ্রামের লোকজন নাটোরের লালপুর পিকনিক স্পটে যাচ্ছিলেন। বাসটিতে নারী শিশুসহ ৩৭ জন ছিলেন। বাসের অধিকাংশ লোকজন মোটরগাড়ির লোক। বাসটি জোড়পুকুরিয়া ও তেরাইল মাঠের মধ্যে তেরাইল কলেজের সামনে ছোট কালভার্টের কাছে পৌছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে উল্টে যায়। এসময় বাসের মধ্যে থাকা সবাই আহত হন।
খবর পেয়ে বামন্দী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন।
বামন্দী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার ইছাহাক আলী বলেন, বাস দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাদের উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছে। তবে কিছু আহত নিজ ব্যবস্থাপনায় মেহেরপুর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি উদ্বারের চেষ্টা চলছে।
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।