ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

তাড়িয়ে দিলেন স্বামী, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ৪ সন্তানের জননী

ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩:৩০, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
তাড়িয়ে দিলেন স্বামী, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ৪ সন্তানের জননী
ফাইল ছবি

স্বামী-সন্তান সবই আছে। তবুও তিন বছর আগে ২৫ বছরের সবুজের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ান গৃহবধূ। ওই প্রেমের জেরে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও গড়ে ওঠে। এরইমধ্যে পরকীয়ার বিষয়টি জেনে যান স্বামী। এরপর ওই গৃহবধূকে বাড়ি থেকে করে দেন স্বামী। একপর্যায়ে এ বিষয়টি সবুজকে জানালে প্রেমের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন তিনি। পরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক সবুজের বাড়িতে অনশন করেছেন ওই গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় দক্ষিণ আইচায়।

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডে যুবক প্রেমিকের বাড়িতে এ অনশন করেন ওই গৃহবধূ। এ নিয়ে এলাকায় মানুষের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রেমিক সবুজ ওই ওয়ার্ডের রহিম ফরাজীর ছেলে। এদিকে চার সন্তানের জননী অনশন করার পর থেকে বাড়ি থেকে পালিয়েছেন অভিযুক্ত সবুজ। 

ওই গৃহবধূ অভিযোগ- তিন বছর ধরে সঙ্গে সবুজের প্রেমের সম্পর্ক তার। ওই প্রেমের জেরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও গড়ে ওঠে। সম্প্রতি বিষয়টি তার স্বামী ও চার সন্তানরা জেনে যায়। এরপর স্বামী তাকে ঘর থেকে বের করে দিলে বিষয়টি সবুজকে জানান। কিন্ত প্রেমের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন সবুজ। এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী অভিযুক্ত সবুজ ও তার বাবার নামে দক্ষিণ আইচা থানায় মামলাকরা হয়। 

Advertisement

ওই মামলায় সবুজের বাবা রহিম ফরাজীকে আটক করে পুলিশ। পরে স্থানীয় মাতব্বরা ফয়সালা করে দেবেন বলে সবুজের বাবাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনেন। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হলেও ফয়সালা না হওয়ায় মঙ্গলবার রাতে বাধ্য হয়ে প্রেমিক সবুজের বাড়িতে এসে অনশন শুরু করেন ওই গৃহবধূ। 

ওই গৃহবধূ বলেন, সবুজ আমার ইজ্জত নষ্ট করেছে। সে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবো।  

দক্ষিণ আইচা থানার এসআই সবুজ জানান, ওই গৃহবধূর স্বামীর লিখিত অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত সবুজের বাবাকে আটক করা হয়।

দক্ষিণ আইচা থানার ওসি মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, অনশনের বিষয় কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!