বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা শাহিন।
তিনি জানান, কক্সবাজারের হোটেল সী আলিফ স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে পলাতক সাগর দে’কে গ্রেফতারে অভিযানে নামে ট্যুরিস্ট পুলিশের একাধিক দল। এ সময় তথ্যযুক্তির সাহায্যে চট্টগ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
.png)
তিনি আরো জানান, নিহত সুমা দে’র স্বামীর নাম সাগর দে নয়। তার প্রকৃত নাম দুলাল বিশ্বাস। হোটেল বুকিং নেওয়ার সময় নিজের আসল নাম গোপন করে সাগর দে নামে এন্ট্রি করেন তিনি।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে হোটেল সী আলিফের চারতলার ১১ নম্বর কক্ষ থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় কর্তৃপক্ষ। পরে সন্ধ্যার দিকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। হোটেল রেজিস্ট্রারে নিহতের নারীর নাম সুমা দে ও স্বামীর নাম সাগর দে লিপিবদ্ধ ছিল এবং তাদের বাড়ি চট্টগ্রামের বাশঁখালীর পুকুরিয়ার বৈলগাঁ। ঘটনার পর থেকেই নিহত নারীর দুই পুত্রসহ পলাতক ছিলেন স্বামী সাগর দে।
হোটেল সী আলিফ কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৪ ফ্রেবুয়ারি দুই ছেলে, এক মেয়ে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে হোটেল কক্ষ ভাড়া নেন তারা। তখন থেকেই কক্সবাজার শহরে ঘুরে বেড়ান। শুক্রবার সকালেও তাদের সবাইকে হাসিমুখে দেখেছেন হোটেলের লোকজন। তবে দুপুর ২টার দিকে তাদের কক্ষের দরজা খোলা ও ভেতরে মেঝেতে মা-মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে ৯৯৯ কল দিয়ে পুলিশ ডাকেন হোটেল কর্তৃপক্ষ।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহতের মরদেহ মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।