এ সময়ের মধ্যে স্বর্ণালংকার, টাকা-পয়সা, মোবাইল ফোনসেট, গরু ও মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটে বেশ কয়েকটি। স্থানীয় কয়েকজন জানান, একটি চোর চক্র উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চুরির ঘটনা ঘটাচ্ছে। বসতবাড়ি, দোকানের গ্রিল ও তালা কেটে চুরি করে তারা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার পৌর এলাকার দেবগ্রামে শিপন দেওয়ানের বাড়ি থেকে কবুতর চুরি হয়।
বিশেষ করে ভাড়ার কথা বলে তারা হানা দিচ্ছে বাড়ি বাড়ি। এর মধ্যে গত ২৯ ডিসেম্বর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রওনক জাহানের পৌর এলাকার রাধানগরের বাসায় দিনের বেলায় চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কয়েক ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনাক্ত করা হয়েছে জড়িতদের। গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাধানগরের একটি বাড়ি থেকে গ্রিল কেটে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোনসেট, ক্যামেরাসহ প্রায় আড়াই লাখ টাকার মালপত্র নিয়ে যাওয়া হয়। এর দুইদিন পৌর এলাকার সড়ক বাজারের মনোরমা স্বর্ণ শিল্পালয়ে চুরি হয়। রাধানগরের আরেকটি বাড়িতে দিনদুপুরে ঢুকে ফ্রিজ থেকে মাছ ও মাংস নিয়ে যায় চোর।
.png)
এ বিষয়ে আখাউড়া থানার ওসি মো. আসাদুল ইসলাম জানান, একটি ঘটনায় চুরি হওয়া সোনা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া চুরির ঘটনা অনেক নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।