এ সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল কাদের, শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন মনিরা, উপ-পরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর মাগুরা (খামারবাড়ি) কৃষিবিদ রফিকুজ্জামান, শালিখা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আলমগীর হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম, শালিখা থানার অফিসার ইনচার্জ বিশারুল ইসলাম, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যসহ কৃষক-কৃষাণীরা।
চুকিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী ধানের জমিতে লাইভ পাচিংয়ের জন্যে নিজ হাতে গাছের ডাল গেঁথে দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ। এ সময় জেলা প্রশাসক পার্চিং পদ্ধতির সুবিধা কৃষকদের মধ্যে তুলে ধরেন- ১. এ পদ্ধতি ব্যবহার করলে কীটনাশকের ব্যবহার হ্রাস পায়, ২. কীটনাশক ব্যবহার হ্রাস হওয়ায় উৎপাদন খরচ কমে, ৩. ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, ৪. কীটনাশক ব্যবহার হ্রাস পাওয়ায় প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা পায়, ৫. বিভিন্ন ধরনের পাখির বিশ্রাম ও খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে বিলুপ্তপ্রায় পাখিদের রক্ষার মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য রক্ষা পায়, ৬. পাখির বিষ্ঠা জমিতে জৈব পদার্থ যোগ করে জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি করে।
.png)
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ বলেন, কৃষক ভালো থাকলে, ভালো থাকবে দেশ। তাই কৃষির বিপ্লব ঘটাতে কোনো জমি পতিত না রেখে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। আসুন আমরা সবাই মিলে প্রত্যেকের কৃষি জমিতে পার্চিংয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন ব্যয় সাশ্রয় করি এবং ফসল উৎপাদন বাড়াই।
জানা গেছে, ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। বর্তমানে কীটনাশক বা বিষ ছাড়া নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে তুমুল সাড়া ফেলেছে এ পার্চিং পদ্ধতি।