স্থানীয় নজরুল মল্লিক বলেন, সকালে গোটা গ্রামে খবর ছড়িয়ে পড়লে ৭ পা এবং দুই মাথার বাছুর দেখতে ওই বাড়িতে মানুষের ভিড় জমে। আজব এমন খবর পেয়ে আমিও বাছুরটি দেখতে গিয়েছিলাম।
গরুর মালিক সোহেল মৃধা জানান, তিনি অনেক চেষ্টা করেও বাছুরটির শেষ রক্ষা করতে পারেননি। প্রায় ৪ ঘণ্টা পর মারা যায় বাছুরটি।
.png)
সোহেলের মা আকলিমা বেগম বলেন, সব কিছুই উপরওয়ালার হাতে। বাচ্চাটি বাঁচাতে অনেক চেষ্টা করেও পারিনি। পরে যত্ন করে মাটি চাপা দিয়েছি।
কলাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা গাজী শাহ আলম জানান, কনজেনিক্যাল ডিফেক্ট এর কারণে এসব গরুর বাছুর জন্ম নিতে পারে। এ বিষয়ে খোঁজ নেয়া হচ্ছে।