জানা যায়, গত বছরের ২৫ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার দিরাজতুল্লা মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের ইদ্রিস এগ্রো ফার্মের শ্রমিকদের কলোনি থেকে শান্তার লাশ উদ্ধার করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ২৮ অক্টোবর শান্তার ভাই বাদী হয়ে বাচ্চু শেখকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই বাচ্চু পলাতক ছিলেন।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত বাচ্চু রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার কানাই মাতুব্বর গ্রামের সাত্তার শেখের ছেলে। অপরদিকে শান্তার বাড়ি ফরিদপুরের মধুখালীতে। শান্তা ঐ ফার্মের শ্রমিক ছিলেন। তার স্বামী বাচ্চু ফার্মের সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের মাত্র তিনমাস আগে তাদের বিয়ে হয়। পরে যৌতুকের দাবিতে শান্তাকে হত্যা করা হয়।
.png)
র্যাব-৮ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার কেএম শাইখ আকতার জানান, শান্তা হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামি বাচ্চুকে গ্রেফতারের জন্য র্যাবের সহযোগিতা চান। র্যাব-৮ সিপিসি-২ (ফরিদপুর ক্যাম্প) ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং পলাতক আসামির অবস্থান নোয়াখালীতে নিশ্চিত করে। পরে র্যাব-১১, সিপিসি-৩ এবং র্যাব- ৮, সিপিসি-২ এর যৌথ অভিযানে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানা এলাকা থেকে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে অভিযান পরিচালনা করে মূল আসাদ ওরফে বাচ্চুকে গ্রেফতার করা হয়।