ইফতার এবং সেহরিতে কলা অন্যতম হওয়ায় রমজানের শুরুতেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সর্বত্র হাট বাজারে কলার চাহিদা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে দামও। গত দুই দিন আগে যেখানে প্রতি হালি ১৪-১৫ টাকা বিক্রি হয়েছে আজ সেখানে তা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা।
রমজানের শুরুতেই এতো বেশি দাম বাড়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। চড়া দামে বিক্রি হওয়ায় দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষদের নাগালের বাইরে চলে গেছে এ প্রিয় ফলটি।
.png)
বিক্রেতারা জানায়, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় সব ধরনের কলা হালি প্রতি ৫-৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে দাম কমে আসবে।
পৌর শহরের সড়ক বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায় সেখানে ফুটপাতে বসে কলা বিক্রি করছেন হকাররা। পাশাপাশি বাজারের আড়ৎ এবং খুচরা দোকানগুলোতেও কলা বিক্রি হচ্ছে। গত দুই দিন আগে যেখানে কলা বিক্রি হয়েছে প্রতি হালি ১২ থেকে ১৪ টাকা এখন তা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা।
স্থানীয় বাজারে চম্পা, নেপালি ও সাগর কলা বেশি বিক্রি হচ্ছে। মান বেধে সব কলার দাম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এক কুড়ি চম্পা কলা ৯০-১২০ টাকা, সাগর কলা ১৩০-১৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজানকে কেন্দ্র করে দাম এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর ফলে তাদের বিপাকে পড়তে হয় ।
মো. আফসার উদ্দিন জানান, তার স্ত্রী ও ছেলে মেয়েরা কলা পছন্দ করেন। সেহরি খেতে ৩ হালি কলা কেনা হয়েছে। গত ৩ দিন আগে ১৫ টাকা হালি কলা কেনা হয় এখন কেনা হয়েছে ২৫ টাকা হালিতে। যেভাবে দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে আমাদের মতো গরিবরা কলা ও কিনে খেতে পারবে না।
গৃহিণী লিমা আক্তার জানান, তার পরিবারের সবাই রোজা রাখেন। তবে সেহরির সময় দুধ দই আর কলা সবার কাছে প্রিয়। তাই অনেক ঘুরে মাঝারি সাইজের চম্পা কলা ২২ টাকা হালিতে ১ ডজন ক্রয় করেন। গত ৩ দিন আগে প্রতি হালি কলা কেনা হয়েছে ১৫ টাকা করে। যেভাবে কলার দাম বাড়ছে আমাদের মতো লোকজন হয়তো আর খেতে পারব না।
ব্যবসায়ী মো. লিটন মিয়া বলেন, কলার দামও কিছুটা বেড়েছে। অতিরিক্ত দাম দিয়ে ক্রয় করে আনায় বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।