ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]
পাবলিক কলেজের প্রাক্তন ছাত্রদের ভ্রাম্যমাণ দোকান

২০০ টাকায় গরুর মাংস, মুরগি ১০০

শরীফা খাতুন শিউলী, খুলনা
প্রকাশিত: ১৩:০০, ৩০ মার্চ ২০২৩
২০০ টাকায় গরুর মাংস, মুরগি ১০০
খুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগ

গরুর মাংসের দাম আকাশছোঁয়া। কয়েকদিন ধরে খুলনায় গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০০-৭৫০ টাকা দরে। এত দাম দিয়ে গরু মাংস কিনে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য প্রায় অসম্ভব। তাদের কথা বিবেচনা করে ভ্রাম্যমাণভাবে কম টাকায় অল্প পরিমাণে গরুর মাংস বিক্রি করছেন পাবলিক কলেজের প্রাক্তন ছাত্ররা। অনেক নিম্নবিত্ত মানুষের মাংস খাওয়ার সাধ মেটাচ্ছে  তরুণরা। আজ বৃহস্পতিবার নিরালার মোড় ও বাগমারা প্রাথমিক স্কুলের সামনে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে। পবিত্র মাহে রমজানে এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন নগরবাসী।

রমজানে পাবলিক কলেজের প্রাক্তন ছাত্ররা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ভ্রাম্যমাণ এই দোকান বসিয়েছেন। সেখানে ২০০ টাকায় গরুর মাংস এবং ১০০ টাকায় মুরগির মাংস বিক্রি হচ্ছে। এ আয়োজনে যে দিন যেখানে বিক্রি করা হয় দুপুর থেকে সেখানে ভিড় করেন নিম্ন আয়ের মানুষ। কম দামে গরু ও মুরগির মাংস বিক্রির এই উদ্যোগ খুলনায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

 নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এ কার্যক্রম

Advertisement

উদ্যোক্তাদের একজন বাপ্পি বলেন, ভর্তুকি দিয়ে ২০০ টাকায় গরুর মাংস ও ১০০ টাকায় মুরগির মাংস বিক্রি করছি আমরা। নির্দিষ্ট একটা লিমিটে আমরা মাংস বিক্রি করি। সে লিমিট অতিক্রম করলে সেদিন আর আমরা দিতে পারি না। আমরা সবাইকে একটা ম্যাসেজ দিতে চাই যে চাইলেই এভাবে বিক্রি করা যায়। এক এক দিন এক এক জায়গায় মাংস বিক্রি করা হয়।  

উদ্যোক্তাদের অপর একজন আল মাসুম বিল্লাহ বলেন, দ্বিতীয় রমজান থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি দোকান থেকে হাড় ও চর্বি ছাড়া গরুর মাংস কিনে ৩০০ গ্রাম করে প্যাকেট করা হয়। প্রতি প্যাকেট ২০০ টাকা করে বিক্রি করা হয়। মুরগি ড্রেসিং করার পর ৫০০ গ্রাম বিক্রি করা হয় ১০০ টাকায়। ৭৫০ টাকা করে গরু এবং ২৫০ টাকা করে মুরগির মাংস কেনা হয়। প্রাক্তন ছাত্ররাই বাকি টাকা ভর্তুকি দেন। ২৭ রমজান পর্যন্ত প্রতিদিন একেক এলাকায় চলবে এই কার্যক্রম।

খুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগজানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই সেবামূলক কাজ করছেন পাবলিক কলেজের প্রাক্তন ছাত্ররা। স্বল্পমূল্যের মাংসের দোকান এবারই প্রথম। 

এভাবে গরীবের মাংস খাওয়ার সাধ মিটাতে আরো অনেকের এগিয়ে আসা দরকার। পাশাপাশি এই কঠিন সময়ে মাছ, গরুর মাংসসহ অন্যান্য পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রেও এমন ব্যবস্থা থাকলে ভালো হয় বলে মনে করেন সচেতমহল।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!