বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার শান্তিরাম ইউপির খামার ধুবনী গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত খোরশেদ আলম ওই গ্রামের মৃত ওসমান আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, দেড় যুগ আগে খোরশেদের সঙ্গে হাসির বিয়ে হয়। বর্তমানে খোরশেদ অন্য নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন। বিষয়টি হাসি জানার পর স্বামীর সঙ্গে তার ঝগড়া হয় হাসির। একপর্যায়ে বুধবার (২৯ মার্চ) বিকেলে স্থানীয় মজুমদার বাজারে খোরশেদের মালিকানাধীন ফার্নিচারের দোকানে যান হাসি। এসময় দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এরপর তাদের দোকানে থাকা পেট্রল শরীরে ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন হাসি। এ সময় গৃহবধূর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে আগুন নিভিয়ে ফেলেন। কিন্তু তার আগেই আগুনে ঝলসে যায় হাসির শরীর।
.png)
গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনরা। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে বৃহস্পতিবার সকালে মারা যান হাসি।
সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি কেএম আজমিরুজ্জামান বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। হাসির স্বামী খোরশেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।