বুধবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার মোজাফরপুর ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পাছ হারুলিয়া গ্রামের সাহেব বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
স্থানীয়দের ধারনা, ঝরনা আক্তারের বসতঘরের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরে অন্যান্যদের ঘরে আগুন মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও ততক্ষণে তিনটি ঘর পুড়ে যায়। আগুন নেভাতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সাফায়েতের শরীরের কিছু অংশ আগুনে ঝলসে যায় এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
.png)
অগ্নিকাণ্ডে সাফায়েত, আ. সাত্তার, মোছা. ঝরনা আক্তার, জুনায়েদ, মো. মোসাহেদ মিয়া ও অনিকের বসতঘর পুড়ে যায়। এতে নগদ টাকা, আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার ও মালামাল পুড়ে অন্তত ১৫-২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
কেন্দুয়া ফায়ার স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ বিপুল কুমার ঘোষ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই
স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। মূলত ঝরনা আক্তারের বসতঘরের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ঝরনা আক্তার বলেন, ‘সহায় সম্পদ বলতে বাড়িটা ছাড়া আমাদের তেমন কিছুই নেই। অনেক কষ্ট করে জীবন চালাই। আগুনে বসবাসের একমাত্র ঘর, ঘরে রাখা নগদ টাকাসহ সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নতুন করে ঘর তৈরি করার সামর্থ আমাদের নেই। তাই এখন থেকে খোলা আকাশের নিচেই থাকতে হবে।’
আব্দুল জলিল নামে একজন বলেন, ৬টি পরিবারের ৩টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এলাকাবাসী মিলে কিছু চাল ও টাকা পয়সা উঠিয়ে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করছি।
স্থানীয় মোজাফরপুর ইউপির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাকির আলম ভূঞা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, সবকটি পরিবারই দরিদ্র। সাধ্যমতো তাদের সহযোগিতা করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সাহায্যের জন্য উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।