নাদির হোসেন নাদু ঐ বাড়ির দলিলুর রহমানের ছেলে। স্থানীয় বাজারে পোল্ট্রি খামার রয়েছে তার।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। যেখানে লেখা ছিল- আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমার ৮০ লাখ টাকা এনজিও ঋণ রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে সাত লাখ টাকা ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হয়।
.png)
দুর্গাপুর ইউপির সাবেক সদস্য মোশাররফ হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে নাদির চাচা আমাকে কল করে জানান- তিনি বাড়িতে আসছেন। আমি যেন আধাঘণ্টা পর কাউকে কিছু না জানিয়ে তার ঘরে গিয়ে দেখা করি। আধাঘণ্টা পর গিয়ে দেখি ঘরের দরজা বন্ধ। পরে দরজা খুলে একাধিকবার ডেকেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রুমের ভেতর প্রবেশ করি। এ সময় দেখি ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল তার লাশ। আমি ভয়ে চিৎকার দিলে বাড়ির অন্য লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশটি নামায়।
জোরারগঞ্জ থানার এসআই রতন দে বলেন, খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। প্রাথমিক তদন্তে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হয়েছে। ঋণের চাপে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।