গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মুরাদ হোসেন ও মাহমুদুল হাসান ওরফে সজিব। গ্রেফতারকৃত মুরাদ হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর থানার চর জাঙ্গালিয়া গ্রামের মৃত ফারুক হোসেনের ছেলে। তিনি কালামপুর মধ্যপাড়ার জসিম উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থেকে ঢুলিভিটায় চায়ের দোকান করতেন। অপরদিকে সজিব বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কিসমত ঠাকুর মল্লিক গ্রামের আবু হানিফ হাওলাদারের ছেলে। তিনি ছোট চন্দ্রাইল বউবাজার এলাকায় ভাড়া থেকে ওই পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।
জানা গেছে, প্রতিদিন পোশাক কারখানায় যাতায়াতের সময় শিলার সঙ্গে পরিচয় হয় চায়ের দোকানদার মুরাদ হোসেনের সঙ্গে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অপরদিকে একই কারখানায় চাকরি করার সুবাদে সজিবের সঙ্গে পরিচয় হয় শিলার। তার সঙ্গেও প্রেমে জড়িয়ে পড়েন শিলা।
.png)
কিছুদিন আগে দ্বৈত প্রেমের সম্পর্ক উভয় প্রেমিকের মধ্যে জানাজানি হয়। পরে উভয় প্রেমিকের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়েছে। একপর্যায়ে মুরাদকে পাত্তা দিতেন না শিলা। এতে শিলাকে কর্মস্থলে আসা-যাওয়ার পথে অপমান ও কটুক্তিমূলক কথাবার্তা বলতেন মুরাদ। অপরদিকে সজিবও একইভাবে শিলাকে পাত্তা দিতেন না। ফলে কারখানায় তাদের মধ্যে একাধিকবার বাগবিতণ্ডা হয়েছে। এতে অপমানবোধ করে কারখানার সাততলা থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেন শিলা।
ধামরাই থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, শিলার আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে দুই প্রেমিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এতে আরো কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার সকালে স্নোটেক্স স্পোর্টস ওয়্যার লিমিটেড কারখানার সাততলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন শিলা আক্তার।