গত ৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেলে কলারোয়া উপজেলার পাকুড়িয়া এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত শাহীন একই এলাকার একাব্বর গাজীর ছেলে ও কলারোয়ার খোর্দ্দ এলাকার ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা। প্রতিবেশি এক গৃহবধূর পরকীয়ার প্রতিবাদ করার জের ধরে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
.png)
এ ঘটনায় গত ৫ এপ্রিল শুক্রবার কলারোয়া থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাই আফসার আলী গাজী। ঘটনার পর থেকে হামলাকারী আমিনুর সরদার পলাতক রয়েছেন। তিনি কলারোয়ার পাকুড়িয়া এলাকার বজলে সরদারের ছেলে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কলারোয়া থানার উপপরিদর্শক মো. আলমগীর কবির জানান, আমিনুর সরদারের স্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এ ঘটনায় প্রতিবেশী শাহীনের চাচি শাহানারা খাতুন প্রতিবাদ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমিনুর সরদার শাহীনের চাচি শাহানারা খাতুনকে উপর্যুপরি পেটাতে থাকেন। একপর্যায়ে তার গলায় রশি বেঁধে দেন। এ ঘটনা দেখে শাহীন হামলাকারীকে নিবৃত্ত করতে গেলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে আমিনুর। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সর্বশেষ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করান কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। বেশ কিছুদিন চিকিৎসা নেয়ার পর বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে তিনি মারা যান।
কলারোয়া থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, মরদেহটি সদর হাসপাতলে রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। অভিযুক্ত আসামিকে খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে