রোববার রাত ১১টার দিকে সাউথ এশিয়ান প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং কারখানার শ্রমিক ও এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে দেন। গ্রেফতারকৃত জাফরিন খান জাহান আলী থানাধীন হাসান শেখের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খানজাহান আলী থানার ওসি কামাল হোসেন খান।
.png)
সাউথ এশিয়ান প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং কারখানার ম্যানেজার গোলাম সরওয়ার বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাফরিনসহ কয়েকজন কারখানার প্রধান ফটকে নিরাপত্তাকর্মীকে হুমকি-ধামকি দিয়ে জোর করে প্রবেশ করে। এরপর আমার অফিস কক্ষে সামনে এসে গালিগালাজ ও চেঁচামেচি করতে থাকে। বিষয়টি টের পেয়ে আমি অন্য কক্ষে অবস্থান নেই। পরে তারা আমার বাসায় যায় এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। আমি অবরুদ্ধ হয়ে পড়ি। এর আগে গত কয়েকদিন ধরে জাফরিন মোবাইলে কল করে চাঁদা দাবি করেন।
তিনি আরো বলেন, রোববার বিকেলে একটি মোবাইল নম্বর থেকে আমার ফোনে হুমকি দিয়ে ম্যাসেজ পাঠানো হয়। তাতে লেখা ছিল ‘আপনি খেলা শুরু করেছেন আমি শেষ করব, ইনশাল্লাহ রেডি থাকেন।’
খানজাহান আলী থানার ওসি কামাল হোসেন খান বলেন, জাফরিন ঈদকে কেন্দ্র করে ম্যানেজারের কাছে চাঁদা দাবি করেন। খবর পেয়ে কারখানা থেকে তাকে গ্রেফতার করে থানায় আনা হয়েছে। তবে তার অন্যান্য সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। তাদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।