এদিকে রোজার দীর্ঘ এক মাস পর্যটকের আগমন না থাকায় সৈকতের প্রকৃতিতে পরিবর্তন এসেছে। হোটেল মোটেলগুলো নতুন সাজে সেজেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, পর্যটকরা উত্তাল সমুদ্রে গোসলে মত্ত হয়ে উঠেছেন। তবে বেশিরভাগ পর্যটক সকালে এসে বিকেলে ফেরত যাচ্ছেন। গত বছরের চেয়ে এ বছর পর্যটকের উপস্থিতি কিছুটা কম।
.png)
সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলার ম্যানেজার শাহীন আলম জানান, তাদের ৭০ ভাগ কক্ষে গেস্ট রয়েছেন। বাকিগুলো খালি রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় এ বছর পর্যটকরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সকালে এসে আবার রাতেই ফিরে যাচ্ছেন।
ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার প্রেসিডেন্ট রোমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, পর্যটকরা রাখাইন পল্লীসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান নির্বিঘ্নে ঘুরছেন। কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ তাদের সার্বিক নিরাপত্তা দিচ্ছে।