তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স বেশি হওয়ায় প্রজনন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে কুমিরটি।
মাজারের প্রধান খাদেম ফকির শের আলী বলেন, প্রায় মাসখানেক আগে কুমিরটি দীঘির পূর্বপাড়ের বিনা ফকিরের বাড়ির পাশে ডিম পেরেছে বলে ধারণা করছি। কয়েকদিন আগে আমাদের চোখে পড়েছে। এই নিয়ে অনেকবার এই মা কুমিরটি দীঘিতে ডিম পেড়েছে। কিন্তু কখনো বাচ্চা হয়নি।
.png)
তিনি আরো বলেন, এভাবে বাচ্চা না হলে কুমিরের বংশ বৃদ্ধি হবে না। মাজারের দীঘি থেকে মিঠাপানির কুমির হারিয়ে যাবে। ফলে মাজারের ঐতিহ্য ধরে রাখা সম্ভব হবে না।
বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ ও করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের দাবি, বয়সের কারণে প্রজনন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলায় মাজারের কুমিরের ডিমে বাচ্চা ফুটছে না।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির বলেন, কুমির দুটি বার বার ডিম দিলেও কোনো বাচ্চা হচ্ছে না। কারণ বয়সের কারণে প্রজনন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে তারা।
তিনি আরো বলেন, মাজারে আসা ভক্ত ও দর্শনার্থীরা খাবার হিসেবে যে যার মতো চর্বিযুক্ত মাংস দেন, ফলে কুমির দুটির পেটে অতিরিক্ত চর্বি জমে গেছে। বাচ্চা না ফোটার এটাও অনেক বড় কারণ। তবে নতুন করে অল্প বয়সী দুটি নারী-পুরুষ কুমির দীঘিতে ছাড়তে পাড়লে বাচ্চা ফোটানো সম্ভব। তাছাড়া এখানে থাকা কুমিরদের খাবারের বিষয়ে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।