বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর জেলা দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে বিচার প্রার্থীদের জন্য আদালত চত্বরে বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মির্জা হোসাইন হায়দার, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. এহসানুল হক, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মুন্সি মো. মশিউর রহমান, আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক ( সিনিয়র জেলা জজ) মো. শহিদুল ইসলাম, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক (জেলা জজ) মো. রফিকুল ইসলাম, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ পারভেজ, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. সুলতান মাহমুদসহ অন্যান্য বিচারক ও আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
.png)
পরে জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে ও চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন। এছাড়াও জেলা আইনজীবীর সমিতির আমন্ত্রণে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে ৪জন আইনজীবীর আইন পেশায় ৫০ বছর পূর্তিতে তাদেরকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রধান বিচারপতি জেলা জজ আদালতে ও চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়ায় বিচারক ও আইনজীবীদের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। সেই সঙ্গে মামলা জট কমানোর জন্য বার এবং বেঞ্চের সবাইকে আরো সচেতন ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশ প্রদান করেন।