ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় উপজেলার সাপখোলা গ্রামে। এ ঘটনায় গত ৪ মে শৈলকুপা থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেন ফেরদৌস। পরে বৃহস্পতিবার রাতেই পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মূল অভিযুক্ত ওই গ্রামের জুলকার খাঁ ও তার সহযোগী প্রেমিকা জান্নাতি খাতুনকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ সুপার আশিকুর রহমান জানান, গত ৪ মাস ধরে সাপখোলা গ্রামে রাতের আঁধারে ঘরে থাকা ঘুমন্ত নারীদের নগ্ন-অর্ধনগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করে আসছিল এক যুবক। অর্ধশত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটার পর গ্রামের ফেরদৌস নামে এক ব্যক্তির ঘরে ভিডিও ধারণ করার সময় টের পেলে মোবাইল ফেলে পালিয়ে যায় ওই যুবক। সেখান থেকে উদ্ধার করা মোবাইলে পাওয়া যায় দেড় শতাধিক নগ্ন-অর্ধনগ্ন ভিডিও এবং ছবি। এ ঘটনায় গত ৪ মে শৈলকুপা থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেন ফেরদৌস। পরে পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মূল অভিযুক্ত ওই গ্রামের জুলকার খাঁ ও তার সহযোগী প্রেমিকা জান্নাতি খাতুনকে গ্রেফতার করে।
.png)
তিনি আরো বলেন, ধারণকৃত ভিডিও দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়াসহ শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করায় ছিল তার মূল উদ্দেশ্যে।