বন্দরের বহির্নোঙরে ভেসেছিল ৮০ জাহাজ। এরমধ্যে ২০টি জেটি থেকে বের করে সেখানে পাঠানো হয়েছিল এবং ৬০টি আগে থেকে সেখানে ছিল। এগুলোর কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি।
আবহাওয়া অধিদফতরের সবশেষ বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে। এতে বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অ্যালার্ট-১ জারি থাকবে। তবে এটিও শিগগিরই নামিয়ে ফেলা হবে। রোববার রাতেই অপারেশনাল কার্যক্রম এবং ডেলিভারি কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। সোমবার (১৫ মে) সকাল থেকে জেটিতে জাহাজ ভেড়ানো হবে।
.png)
রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক।
তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে বন্দরের কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি। আমরা আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। আবহাওয়া অধিদফতরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ছিল। বন্দরের স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিং হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এখন সংকেত নেমে যাওয়ায় বন্দরের কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে। সকালে জেটিতে জাহাজ ভিড়বে।
তিনি আরো বলেন, আবহাওয়া অধিদফতরের সংকেত বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বন্দরে অ্যালার্ট-৪ জারি করা হয় এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। লাইটার জাহাজ সদরঘাট এলাকা থেকে কর্ণফুলী ব্রিজের আশেপাশের এলাকায় নিরাপদে আশ্রয় নিতে বলা হয়। বন্দরের সুরক্ষা নিশ্চিতে জেটিতে থাকা ২০টি বড় জাহাজ বহির্নোঙরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকে থাকা ৬০টিসহ মোট ৮০টি জাহাজ ছিল। এগুলোর কোনো সমস্যা হয়নি।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদফতরের সবশেষ ২২ নম্বর বুলেটিনে বলা হয়েছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করেছে এবং দুর্বল হয়ে মিয়ানমারের সিটুয়েতে স্থল গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি স্থলভাগের অভ্যন্তরে আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে।