সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, কুয়াকাটা সৈকত দু’দিন খালি থাকার পর আজ শেষ বিকেলে ভ্রমণ পিপাসুদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে পর্যটন নগরী। আগত পর্যটকরা সৈকতের লোনা জলে পা ভিজিয়ে হৈ হুল্লোড় করছেন। কেউ কেউ ঘোড়ায় চড়ে সৈকতে ঘোরাঘুরি করছেন। অনেকে আবার ছাতার নিচে বেঞ্চিতে বসে সাগরের ঢেউ দেখছেন। আবার অনেকে জিরো পয়েন্টসহ সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আনন্দ করছেন।

.png)
পর্যটকরা জানিয়েছেন, মোখার কারণে গত দুইদিনে কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ ও মহিপুর থানা পুলিশের বাঁধার মুখে সৈকতে নামতে পারেননি। এক ধরনের বন্দীদশার মধ্যে ছিলেন আগতরা। তাই আগাম সতর্কতার অংশ হিসেবে প্রশাসনের বাধা নিষেধ মানতে বাধ্য হয়েছে।
বরিশাল থেকে আসা পর্যটক আমিনুল ও লিজা দম্পতি জানান, দুপুরে টেলিভিশনে দেখেছি ঘূর্ণিঝড় মোখা মিয়ানমার রাজ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। আর কুয়াকুয়াকাটা প্রভাব মুক্ত আছে। তাই গাড়ি নিয়ে সৈকতের ঢেউ আর পরিবেশ দেকতে এসেছি। এছাড়া হালকা বৃষ্টিতে গরমও কিছুটা কমেছে। বেশ আনন্দ উপভোগ করছেন বলে জানান তারা।

ঢাকা থেকে সপরিবারে ঘুরতে এসেছেন আহমেদ। তিনি জানান, দুদিন এক ধরনের অস্বস্তির মধ্যে ছিলেন পরিবার নিয়ে। আজ বিকেলে সৈকতে ঘুরতে নেমেছেন। তবে হঠাৎই সকালের ফাঁকা সৈকতে বিকেলে পর্যটকের উপস্থিতি দেখে চমকে উঠেছেন তিনি। বলেন বিকেলের আবহাওয়া এবং সমুদ্রের পাড়ের পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। এদিকে গত দু'দিন পর্যটকদের ভিড় কম থাকায় বেচা বিক্রি অনেকটাই পড়তির দিকে ছিল স্থানীয় সব ধরণের দোকানগুলোতে। তবে বিকেল থেকে অতিথি আগমনে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ জোনের ওসি মনিরুল হক জানান, এখনো পর্যন্ত পর্যটকদের সমুদ্রে গোসলে নামতে দেয়া হচ্ছে না। তবে সৈকতে ঘোরাঘুরি করতে পারছেন তারা। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আগামীকাল সকালে আগত পর্যটকদের পরবর্তী নির্দেশনা দেয়া হবে।