সোমবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে সদর উপজেলা লক্ষীচাপ ও জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ি সহ আসেপাশের কয়েকটি গ্রামে ঝড় আঘাত হানে।
এক ঘণ্টাব্যাপী এ ঝড়ে শতাধিক কাঁচাপাকা বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ে গাছপালা, বিদ্যুতের খুঁটি ও সবজি বাগান লন্ডভন্ড হয়ে ব্যাপক ক্ষতি খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও ঝড় আর শিলা বৃষ্টিতে ঘরের মূল্যবান জিনিসপত্রসহ নষ্ট হয়েছে শিক্ষার্থীদের বই খাতাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।
.png)

ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিমুল বাড়ি এলাকার আনোয়ার বলেন, আমার ২ টা টিনের ঘর একটি হেলে গেছে একটি পুরো ভেঙে গেছে৷ এখন ঠিকঠাক করতেছি। হটাৎ করে রাতে ঝড়া টা আসে। ঝড় আসার আগে প্রচন্ড বাতাস বইছিল। জানিনা কিভাবে কি করব সবার সহযোগীতা চাই।
লক্ষীচাপ আকাশকুড়ি এলাকার শাহীন আলম বলেন, আমাদের পাড়ার প্রায় ২০-২৫ টা ঘর ভেঙে গেছে। আমাদের গরুর ঘরটা ভেঙে গেছে। হঠাৎ করে বাতাস শুরু হলো রাতে। দিনের বেলা তো প্রচণ্ড রোদ ছিল।
এ বিষয়ে লক্ষীচাপ ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান জানান, আমার ইউপির আকাশকুড়ি এলাকাসহ আসে পাশের বেশ কয়েকটি এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ৭০ টি অধিক ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। আমরা ক্ষয়ক্ষতির নিরপণের চেষ্টা করছি এবং তালিকা করছি যা উপজেলা পরিষদের পাঠানো হবে।

জলঢালার ইউএনও মঈনুল ইসলাম ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, ঝড়ে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে খবর পেয়েছি। চেয়ারম্যানকে তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে, তালিকা পেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা দেওয়া হবে।
নীলফামারী সদরের ইউএনও জেসমিন নাহার জানান, সঠিক কতগুলো ঘরবাড়ি কিংবা ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো জানতে পাইনি। তালিকা পেলে সহযোগীতা করা হবে।
জেলার ডিমলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, ঝড়ের বিষয়ে আগে থেকেই আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস ছিল রংপুর অঞ্চলের কিছু এলাকায় ঝড়ে হাওয়া ও বৃষ্টি হতে পারে এবং তা হয়েছে। আগামী ১৮ মে এ এলাকায় হাল্কা ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।