মাহাতাব হাওলাদার সদর উপজেলার চুনখোলা গ্রামের মৃত মবিন উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।
অভিযোগে জানান, বাগেরহাট সদর থানাধীন ১১৮নং দক্ষিণখানপুরে কিছু জায়গা জমি রয়েছে। আমার শ্বশুর মৃত নূর মোহাম্মদ খানের পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ১০টার দিকে আমার আত্মীয় হালিমা বেগম (২৪), শহিদা বেগম (৭৮) বসতঘরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পার্শ্ববর্তী শামিম শেখ, ফজলু শেখ, হামিম শেখ, মোতালেব শেখসহ ৪/৫ জন সন্ত্রাসী লোহার রড ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার শ্বশুরের জায়গায় প্রবেশ করেন। তারা ঘরে ঢুকে আমার আত্মীয়দের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তারা আমার আত্মীয়দের মারপিট শুরু করেন। এ খবর শুনে আমি ও আমার ছেলে আকবর হাওলাদার (২৭) ও আমার স্ত্রী হাসিনা বেগম (৫৫) ঘটনাস্থলে যাই।
.png)
সন্ত্রাসীদের বাধা দিলে সব আসামিরা আমাদেরও মারপিট শুরু করেন। এ সময় তারা আমার আত্মীয় ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হালিমা বেগমের পেটে লাথি মারিলে সে প্রচণ্ড ব্যথা পেয়ে মাটিতে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এ সময় তারা আমাকে ও আমার স্ত্রী হাসিনা বেগমকে প্রচণ্ড মারধর করেন। তারা ঘর থেকে টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে দেন। এ সময় তারা ঘরে থাকা নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যান।
পরে আসামিরা আমার শ্বশুরের বসতঘরে থাকা সব মালামাল ফেলে দেন ও বসতঘর ভাঙচুর করে পুকুরে ফেলে অনুমানিক ২ লাখ টাকার ক্ষতি করে। পরে স্থানীয়রা আমাকে, আমার স্ত্রী হাসিনা বেগম ও আমার আত্মীয় হালিমা বেগমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানার ওসি কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি অদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।