মঙ্গলবার বিকেলে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ সদর দফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে, একদিন বেলা ১১টার দিকে সদরের চুরখাই বাজার এলাকা থেকে আবু বক্কর সিদ্দিককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আবু বক্কর সিদ্দিক একই এলাকার মোহাম্মদ হাসিম উদ্দিনের ছেলে। নিহত ব্যক্তির নাম ইমান আলী। তিনি একই এলাকার ইদ্রিস আলীর ছেলে।
র্যাব জানায়, ইমান আলী ও আবু বক্কর সিদ্দিক সম্পর্কে চাচাতো ভাই। দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ থাকায় তাদের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি হয়েছিল। ২০১০ সালের ৫ নভেম্বর চুরখাই মাঠপাড় এলাকায় ইমান আলীকে ডেকে নিয়ে যান আবু বক্কর সিদ্দিক। পরে ২০ থেকে ২৫ জন মিলে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ইমান আলীকে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যান। আশপাশের লোকজন ইমান আলীকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
.png)
এ ঘটনায় নিহতের বাবা ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে গত রোববার আবু বক্কর সিদ্দিকসহ আসামি সাদ্দাম এবং কালুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া বাকি আসামিদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। তবে হানিফ নামে এক শিশু আসামি থাকায় তার মামলাটি শিশু আদালতে চলমান রয়েছে। বর্তমানে আসামি সাদ্দাম ও কালু জেলহাজতে রয়েছেন।
র্যাব-১৪ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদরের চুরখাই বাজার এলাকা থেকে আবু বক্কর সিদ্দিককে গ্রেফতার করা হয়। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।