স্থানীয়রা জানান, সকালে রেনু বেগম বাড়ির সামনের পুকুরে গোসল করতে নামে। এক পর্যায়ে তিনি পানিতে ডুবে যান। এ সময় এক কিশোর বিষয়টি দেখে স্থানীয়দের খবর দেয়। পরে তার পরিবার ও স্থানীয়রা মাছ ধরার ঝাঁকি জাল দিয়ে পানিতে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
নিহতের স্বামী খসরু মিয়া বলেন, ‘আমার স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ। এজন্য তাকে গোসলও করিয়ে দিতাম। সকালে আমার অজান্তে সে পুকুরে নেমে নিখোঁজ হয়। পরে পুকুরের পানিতে খোঁজাখুঁজির পর তার লাশ পাওয়া যায়।
.png)
স্থানীয় ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য ফরিদা আক্তার বলেন, ‘রেনু বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। সকালে তিনি বাড়ির সামনে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে ডুবে নিখোঁজ হন। পরে স্থানীয়রা মাছ ধরার ঝাঁকি জালসহ পুকুরে নেমে তাকে খুঁজতে থাকে। প্রায় এক ঘণ্টা পর তার লাশ পাওয়া যায়।
তিনি আরো বলেন, ‘খবর পেয়ে নিহতের বাড়িতে পুলিশ এসেছিল। নিহত রেনু মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল এজন্য মুছলেকা দিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশটি রেখে দিয়েছি।