কদিন ধরে গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা থেকে নিস্তার পাওয়া মানুষের একটাই মন্তব্য এই বৃষ্টি স্বর্গ থেকে এসেছে। তবে ভারি বৃষ্টিপাতের আশা করেছিলেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির গতিবেগ শেষ পর্যন্ত বাড়েনি। অনেকেই ভিজতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে পড়েন।
শহরের মোক্তারপাড়া বিএডিসি ফার্ম এলাকার সামনের দোকানগুলোতে সব সময় বসে থাকতে দেখা যায় গরমে অতিষ্ঠ হওয়া মাইক্রোবাস চালক-হেলপারদের। কিন্তু আজকের বৃষ্টিতে অনেকেই স্বস্তি নিতে নেমে পড়েছেন সড়কে।
.png)
সাধারণ এ সব মানুষ বলছেন, দুই-তিন দিন এই আবহাওয়া থাকলে মানুষ কিছুটা স্বস্তি বোধ করবে। স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরে আসতে পারবেন। কারণ অনেকেই এই অবস্থায় স্বাভাবিক কাজকর্ম ছেড়ে দিয়েছেন।
মাইক্রোবাস চালক সঞ্জু মিয়া বলেন, গত তিন থেকে চারদিন ধরে যে পরিস্থিতি তা সহ্য করার মতো নয়। দিনে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকলেও তার অনুভব ৪৮ ডিগ্রির মতো। সব মিলিয়ে শিশু বাচ্চাদের নিয়ে আরো বিব্রতকর অবস্থা। এর মাঝে এটুকু বৃষ্টিও যেন বিরাট পাওয়া।