বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ সৈয়দ মো. কায়সার মোশাররফ ইউসুফ এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মোশাররফ হোসেন ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার বাঁশপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও সহিদ উল্যাহ ফেনী সদর উপজেলার কাজিরবাগ ইউনিয়নের গিল্লাবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা।
.png)
এজাহার সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ৪ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে ফেনী সদর উপজেলার কাজিরবাগ ইউনিয়নের গিল্লাবাড়িয়া সীমান্ত চৌকির বিজিবি সদস্যদের হাতে ২১ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার হন মো. সহিদ উল্যাহ। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়। তদন্ত শেষে ফেনী মডেল থানার এসআই যোবাইদুন নাহার একই বছরের ৫ মে আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।
এ মামলায় মোট পাঁচজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার এ রায় দেন আদালত। এছাড়াও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অপরদিকে, ২০১৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে ৩০ বোতল ফেনসিডিলসহ মোশাররফ হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ছাগলনাইয়া থানার এএসআই আলা উদ্দিন বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা করেন। একই বছরের ১৪ মার্চ ছাগলনাইয়া থানার এসআই মাসুদ রানা তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
এ মামলায় চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিচারক এ রায় দেন। এছাড়াও তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দিজেন্দ্র কুমার কংশ বণিক জানান, আসামিরা গ্রেফতারের পর জামিনে ছাড়া পেয়ে পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন।