কোরবানির পশু নিরাপদ করতে গরু মোটা তাজা করণে ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার বন্ধে প্রাণিসম্পদ অফিসের পক্ষ থেকে খামারে খামারে তদারকী বাড়ানো হয়েছে। প্রতিদিন খামারে যাচ্ছে কর্মকর্তারা। গঠন করা হয়েছে ৩ সদস্য বিশিষ্ট ৮টি তদারকি টিম। তাছাড়া খামারিরা যাতে অনলাইনে পশু বিক্রি করতে পারে সেজন্য প্রাণিসম্পদের পক্ষ থেকে অনলাইন কোরবানির পশুর ডিজিটাল হাট নামে ফেসবুক আইডি খোলা হয়েছে ।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ভৈরবে প্রান্তিক খামারিরা খামারে, খামারে গরু মোটাতাজা করে প্রস্তুত করছেন। এবার ভৈরবে ১৮ শ খামারির প্রায় ১০ হাজার গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া দেশীয় পদ্ধতিতে মোটা তাজাকরণ করেছে।
.png)
কোরবানির ঈদে লাভের আশায় এসব খামারিরা কোনো প্রকার ক্ষতিকারক ওষুধ প্রয়োগ না করে দেশীয় পদ্বতিতে খড়, তাজা ঘাস ও ভুসিসহ পুষ্টিকর খাবার খাইয়ে গরু মোটা তাজাকরণ করেছেন। সাধারণ গরুকে প্রাকৃতিক পন্থায় মোটা তাজা ও সুস্থ রাখতে এ ধরণের গরুর মাংস খেয়ে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি থাকে না। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে অতি মুনাফা লোভী অসাধু খামারিরা কৃত্রিম উপায়ে ক্ষতিকর ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে গরু মোটাতাজা করণ করলেও এবার প্রাণিসম্পদ অফিসের নজরদারি থাকায় তা করা হচ্ছে না।
পশু চিকিৎসকদের পরামর্শে কৃমি, ভিটামিন ও রোগের ওষুধ খাওয়ানো হলেও ক্ষতিকর ওষুধ কৃষকরা খাওয়াচ্ছেন না। এছাড়া এ বছর ভৈরবে ৩টি কোরবানির পশুর হাটে প্রাণিসম্পদ অফিসের পক্ষ থেকে মেডিকেল টিম কাজ করছে। যাতে অসুস্থ বা রুগ্ন কোনো পশু হাটে বিক্রি করতে না পারে ।
তাছাড়া মানুষ যেন নিরাপদ মাংস পেতে পারে সার্বক্ষণিক হাটে মেডিকেল টিম কাজ করছে।
ভৈরব উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মনিরুজ্জামান তরফদার জানান, কোরবানির পশুর মাংস নিরাপদ রাখতে এবং মানুষ যাতে সুস্থ থাকতে পারে সেজন্য এ বছর ভৈরবে ১৮ শ খামারি ব্যক্তি মালিকানা ও প্রান্তিক খামারিরা ১০ হাজার গরু, মহিষ, ভেড়া, ছাগল মোটা তাজাকরণে দেশীয় পদ্ধতিতে লালন-পালন করছে।
খামারিরা যাতে কোনো প্রকার পাম ট্যাবলেট, স্টেরয়েড ও হরমুন ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে। এছাড়া ফার্মেসি গুলোতেও নজরদারি রয়েছে। যেন ক্ষতিকর ট্যাবলেট বা ইনজেকশন বিক্রি করতে না পারে । পে-অফ- এবার ভৈরবসহ সারাদেশে কোরবানির গরুর মাংস নিরাপদ থাকবে এটাই সবার প্রত্যাশা।