পৌর এলাকার পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার স্বার্থে এ উদ্যোগ নেয়া হয়। পৌরবাসীর সচেতনতা বৃদ্ধিতে এরইমধ্যে নির্ধারিত জায়গায় পশু কোরবানি দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রচারণা শুরু করেছে।
এদিকে নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানির পর দ্রুত বর্জ্য অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কোরবানির ঈদের দিন দুপুর থেকেই ট্রাকের মাধ্যমে বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু হবে। এছাড়া যারা বাড়ির আঙিনায় কোরবানি দিবেন তারা নিজ দায়িত্বে বর্জ্য অপসারণ করতে হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষ।
.png)
আখাউড়া পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ফয়ছল আহাম্মেদ খান বলেন, এ বছর নয়টি ওয়ার্ডে ৫০টি স্থানে কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়। আমরা আশা করছি জনগণ নির্দিষ্ট স্থানে এসে পশু কোরবানি করবে।