নিহত শিমলা রানী দেবনাথ মেজর টিলা ইসলামপুরের নুরপুর নাথপাড়ার জিতেন্দ্র দেবনাথের মেয়ে। অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার নৃপেন্দ্র দেবনাথের ছেলে।
নিহত সিমলার বাবা জিতেন্দ্র দেবনাথ জানান, প্রায় ৭ মাস আগে বিশ্বজিতের সঙ্গে শিমলা রানীর বিয়ে হয়। তার ভাই-বোনরা সরকারি চাকরি করলেও বিয়ের পরও বিশ্বজিৎ বেকার ঘুরে বেড়ানো ও আড্ডা দিয়ে সময় কাটানো ছিল তার নেশা। অথচ বিয়ের পর নগরের নয়াসড়কে একটি কসমেটিক্সের দোকানে চাকরি করে সংসার চালানোর পাশাপাশি সিলেট সরকারি মহিলা কলেজে অনার্স পড়ছিলেন শিমলা। বেকার স্বামীকে বুঝিয়েও কথা শুনতে পারেননি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। কিছুদিন আগে সিমলা স্বামীর বাসা ছেড়ে চলে আসে।
.png)
এ নিয়ে বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) দুপুরে বখাটে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে কর্মস্থলে গিয়ে শিমলাকে হুমকি ধমকি দিয়ে আসেন বিশ্বজিৎ। এ কারণে রাতেই শাহপরাণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। আর এই সাধারণ ডায়েরি করাই কাল হলো তার।
সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরান (র.) থানার ওসি আবুল খায়ের বলেন, শুক্রবার দুপুরে বাসায় লোকজনের চলাচল কম থাকায় ঘরে একা ছিলেন শিমলা। এ সময় বিশ্বজিৎ দেবনাথ বাসায় গিয়ে স্ত্রীকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। ঘটনাটি দেখলেও পুলিশকে খবর দেননি প্রতিবেশীরা। বিকেলে তার বাবা বাসায় ফিরে মেয়ের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন। পরে খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি আরো বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, দাম্পত্য কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত বিশ্বজিৎকে গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।