এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় সৎ বাবা তৌহিদুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে রোববার (২৩ জুলাই) রাতে তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিকে নোয়াখালী আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত সুজন জেলার সেনবাগ উপজেলার ফলতী গ্রামের বাসিন্দা এবং ভিকটিমের মায়ের দ্বিতীয় স্বামী।
.png)
জানা গেছে, তৌহিদুল ইসলাম সম্পর্কে ভিকটিমের সৎ বাবা হন। ছোটবেলায় ভিকটিমের বাবা মারা যাওয়ায় ভিকটিমের মা তৌহিদুল ইসলামের সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহে আবদ্ধ হন। সেই সুবাদে ভিকটিম তার মায়ের সঙ্গে তৌহিদুলের বাড়িতে থাকতেন।
সম্প্রতি কৌশলে ভিকটিমের গোসল ও বিভিন্ন আঙ্গিকে কিছু অশ্লীল ছবি ধারণ করে প্রায় ভিকটিমকে অবৈধভাবে মেলামেশার প্রস্তাব দেন সৎ বাবা তৌহিদুল। ভিকটিম ঐ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তার অশ্লীল ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ স্বজন ও পরিচিত লোকজনদের কাছে পাঠাবে বলে হুমকি দেন তিনি।
এতে ভিকটিম প্রতিবাদী হওয়ার চেষ্টা করলে ২২ জুলাই গভীর রাতে ভিকটিমের কক্ষে ঢুকে তাকে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে। ঐ সময় ভিকটিমের চিৎকারে তার মাসহ আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে তৌহিদুল রুম থেকে সড়ে যান। পরে ভিকটিম বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় সৎ বাবা তৌহিদুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি মীর জাহিদুল হক রনি বলেন, ভিকটিমের মামলাটি পর্নোগ্রাফি আইনে রেকর্ডভুক্ত করে রোববার রাতে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।