লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্যমতে, সকালের দিকে উপজেলার ধলিগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা এলাকায় মোসা. হুজাইফা নামে আড়াই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। সে ওই এলাকার মাওলানা মো. রাকিবের মেয়ে। এছাড়া, চরভূতা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. জুনায়েদ নামে আট বছরের আরেক শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। সে ওই এলাকার মো. জাকিরের ছেলে।
সবশেষ, দুপুরের দিকে লালমোহন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নয়ানীগ্রাম এলাকায় পানিতে ডুবে মোসা. নুসরাত নামে ছয় বছরের আরো এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
.png)
অন্যদিকে, একই দিন সকালে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে পড়ার পর রুহা নামে আড়াই বছরের এক শিশুকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে তাকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. হামিদা আকতার বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত হাসপাতালে পানিতে পড়া ৪ জন শিশুকে আনা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জনকেই মৃত অবস্থায় আনা হয়। বাকি একজনের অবস্থা কিছুটা খারাপ হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
এই চিকিৎসক আরো বলেন, একদিনে এতো শিশুর মৃত্যু সত্যিই মর্মান্তিক। পানিতে পড়ে এসব শিশু মৃত্যুর পেছনে অভিভাবকদের অসচেতনতাই দায়ী। এর আগেও লালমোহনে পানিতে ডুবে বেশ কিছু শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। দ্রুত যদি পানিতে ডুবে এ শিশু মৃত্যু রোধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা না হয় তাহলে এর সংখ্যা আরো ভয়াবহ হতে পারে।
এদিকে এসব মৃত্যুর বিষয়ে বক্তব্য জানতে লালমোহন থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমানকে কয়েকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।