বুধবার রাতে উপজেলার আলমপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত জোবাইদা খাতুন ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক জহুরুল ইসলামের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো ছিল না অবসরপ্রাপ্ত ওই শিক্ষিকার। তিনি নিজ বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। গত ৩১ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত মোবাইলে কল করে তাকে পাননি স্বজনরা। পরে বিষয়টি প্রতিবেশীদের কল করে জানান স্বজনরা। প্রতিবেশীরা সন্ধ্যায় জোবাইদার বাড়িতে গিয়ে বাইরে থেকে পচা দুর্গন্ধ পান। এরপর ঘরে গিয়ে চেয়ারে বসা অবস্থায় জোবাইদার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন তারা। পরে রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
.png)
ক্ষেতলাল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, ওই স্কুল শিক্ষিকার স্বামী-সন্তান কেউ তার সঙ্গে থাকতেন না। তিনি গ্রামের বাড়িতে একাই বসবাস করছিলেন। ওই পরিবারের সবাই শহরে থাকলেও তার বড় ছেলে গ্রামেই ছিলেন। কিন্তু মায়ের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে নিজ বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের শরীরে পচন ধরেছে। ধারণা করা হচ্ছে তিন-চার দিন আগে ওই শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।