শুক্রবার দুপুরে র্যাবের অনলাইন মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গ্রেফতার দুইজনের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মোস্তফা কামালকে (২৩) ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে ও তা র সহযোগী আলামিনকে (২৪) টাঙ্গাইলের সখীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। মোস্তফা সখীপুর উপজেলার বাঘেরবাড়ি পূর্বপাড়া এলাকার মুহাম্মদ আলীর ছেলে ও আলামিন একই এলাকার নূরুল ইসলামের ছেলে।
.png)
র্যাব জানায়, গত ১৯ জুলাই দিবাগত রাতে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের বাঘেরবাড়ি বাংলাবাজার এলাকায় স্থানীয় আবুল হোসেনের ছেলে শাহজালাল (৩৫) ও নবু মিয়ার ছেলে কৃষক মজনু মিয়াকে (৫০) হত্যা করে সড়কে লাশ ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। পরদিন সকালে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে নিহত শাহজালালের বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেন।
গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র্যাব জানায়, মোস্তফা পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। স্থানীয় সমিতি থেকে বেশ কিছু টাকা ঋণ নিয়েছেন। সম্প্রতি ওই সমিতি থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য ব্যাপকভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। সেই ঋণের টাকা পরিশোধ করতেই তিনি ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। এ পরিকল্পনায় তার সঙ্গে যোগ দেন সহযোগী আলামিন। ঘটনার রাতে পথের নির্জন স্থানে দুজনে ওত পেতে ছিলেন। ব্যবসায়ী শাহজালাল ও তার চাচা মজনু মিয়া মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে রড দিয়ে প্রথমে মোস্তফা শাহজালালকে আঘাত করেন। এতে শাহজালাল ও তার পেছনের আরোহী মজনু মিয়া পড়ে গেলে মোস্তফার সহযোগী আলামিন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মজনু মিয়ার ওপর হামলা চালান।
র্যাব আরও জানায়, ঘটনার পর লাখ টাকা প্রাপ্তির প্রত্যাশা থাকলেও মোস্তফা ও আলামিন পান মাত্র ৬শ’ টাকা। ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারের ফলে ভয় পেয়ে মোস্তফা ও আলামিন আত্মগোপনে চলে যান। মোস্তফাকে গ্রেফতারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি একটি ডোবা থেকে নিহত ব্যবসায়ী শাহজালালের মোবাইল উদ্ধার করা হয়।