মৃত ইলিয়াস উপজেলার চরঅষ্টধর ইউনিয়নের ডেবুয়ারচর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।
জানা যায়, শনিবার রাতে ইলিয়াস ও তার বন্ধু রামিন মিয়া ব্রহ্মপুত্র নদের ওপারে চরঅষ্টধর ইউনিয়নের টাঙ্গাইল্যাপাড়া আদর্শগ্রামে যান। সেখানে গভীর রাত পর্যন্ত থাকায় বাড়ি ফেরার পথে নৌকা না পেয়ে তারা দুজন সাঁতরে ব্রহ্মপুত্র নদ পার হওয়ার সময় ইলিয়াস পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।
.png)
পরদিন রোববার সকাল থেকে নদে দীর্ঘ ৫ ঘণ্টা অভিযান চালিয়েও নিখোঁজ ইলিয়াসকে উদ্ধার করতে না পেরে ফিরে যান ডুবুরিরা। এর পরে স্থানীয়রা নিজ নিজ অবস্থান থেকে খোঁজাখুঁজি অব্যাহত রাখেন। অবশেষে ময়মনসিংহের বোরোরচর এলাকায় নদের তীরবর্তী এলাকায় ইলিয়াসের মরদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নকলার চন্দ্রকোনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মুকুল হোসেন।
এদিকে, এ ঘটনায় ইলিয়াসের বন্ধু রামিন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে নকলা পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রামিন জানান, তারা দুজন ইয়াবা সেবনের জন্য শনিবার রাতে টাঙ্গাইল্যাপাড়া আদর্শগ্রামে যান। সেখানে ইয়াবা সেবন শেষে গভীর রাতে নৌকা না পেয়ে সাঁতরে ব্রহ্মপুত্র নদ পার হওয়ার সময় ইলিয়াস পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।
অপরদিকে, মৃত ইলিয়াসের বাবা নজরুল ইসলাম অভিযোগ, তার ছেলে সাঁতারে জানে। তিনি কখনও পানিতে ডুবে মারা যেতে পারেন না। তাকে পরিকল্পিতভাবে মেরে ব্রহ্মপুত্র নদের স্রোতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে।