ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

রাজস্ব বেড়েছে আখাউড়া স্থলবন্দরে

কাজী মফিকুল ইসলাম, আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
প্রকাশিত: ১৭:৩১, ৭ আগস্ট ২০২৩
রাজস্ব বেড়েছে আখাউড়া স্থলবন্দরে
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে যাত্রীদের ভ্রমণ কর বাবদ রাজস্ব আদায় বেড়েছে। নতুন অর্থবছরে গেল জুলাই মাসে যাত্রীদের কাছ থেকে ভ্রমণ কর আদায় হয়েছে দেড় কোটি টাকা। সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জায়গার মানুষ এ বন্দর দিয়ে ভারতে গমন করছেন।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থলপথে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম আখাউড়া স্থলবন্দর। ভৌগোলিক অবস্থানের ফলে এ বন্দর দিয়ে ক্রমেই যাত্রী পারাপার বাড়ছে। মূলত বন্দর পার হলেই ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা শহর। আর শহর থেকে খুব কাছেই বিমানবন্দর ও রেলস্টেশন। ফলে আখাউড়া স্থলবন্দর ব্যবহার করে ভারতে যাত্রী পারাপার বাড়ছে।

ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে গড়ে ৮০০-১০০০ যাত্রী যাতায়াত করেন। এর মধ্যে অধিকাংশই যাত্রী বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাচ্ছেন। ভিসা ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় ব্যবসা, চিকিৎসাসহ নানা প্রয়োজনে লোকজন ভ্রমণ করছেন।

Advertisement

স্থল শুল্ক স্টেশন সূত্রে জানা যায়, আখাউড়া আন্তর্জাতিক কাস্টম-ইমিগ্রেশন হয়ে ভারতে ভ্রমণকারী দেশি-বিদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রীদের কাছ থেকে ভ্রমণ কর বাবদ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত শুধু মাত্র স্থলবন্দরের সোনালী ব্যাংক বুথ থেকে এক মাসে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১ কোটি ৫১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।

নতুন অর্থবছরে যাত্রী প্রতি সরকার নির্ধারিত ১০০০ টাকা ভ্রমণকর আদায় করে থাকে। এই সময়ে ১৭ হাজার ৪৭জন যাত্রী ভারতে গমন করেন। জুলাই মাসে যেসব যাত্রী ভারতে প্রবেশ করেছে তাদের ৯০ শতাংশ বাংলাদেশি এবং ১০ শতাংশ ভারতসহ অন্যান্য দেশের নাগরিক রয়েছেন।

ভারতে গমনের জন্য ইমিগ্রেশনে অপেক্ষমান চট্টগ্রামের বাসিন্দা উবাইদুর রহমান জানান, চট্টগ্রামের সঙ্গে ট্রেনে এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় ভারত যেতে এ পথটাই তাদের পছন্দ।

আরেক যাত্রী নরসিংদীর বাসিন্দা শফিকুর রহমান জানান, তার বাবা অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন। এর আগেও তিনি দুইবার এ পথে ভারতের গেছেন। প্রতিদিন ১ হাজারের বেশি লোক এ চেকপোস্ট দিয়ে যাতায়াত করেন। এই সংখ্যাটা বাড়তে থাকলে এ বন্দরটি লাভজনক বন্দর হতে পারে।

আখাউড়া ইমিগ্রেশন ইনচার্জ হাসান আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, যাতায়াত সুবিধা ভালো থাকায় এ ইমিগ্রেশন ব্যবহার করে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার বেড়েছে কয়েকগুণ।

স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ খান বলেন, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর আখাউড়া। দিনদিন এ পথে যাত্রী পারাপার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে সরকারেরও রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!