সরেজমিনে উপজেলার কয়েকটি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, শিশু-কিশোররা মোবাইল গেমসের আড্ডায় মেতে উঠেছে। লাটিম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে অনেকেই লাটিম কি তা জানেই না।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিশু-কিশোরদের অপ্রাপ্ত বয়সে এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কিনে দিয়ে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছেন অনেক অভিভাবক।
.png)
হোসেনপুর সরকারি মডেল পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক ক্রীড়া শিক্ষক বজলুর রহমান বলেন, গ্রামের শিশু-কিশোররা এক সময় মনের আনন্দে গ্রামের মেঠোপথে, বাড়ির আঙ্গিনায়, হাতের তালুতে লাটিম ঘোরাতো। বনবন করে ঘুরতো লাটিম। লাটিম খেলা যদি আবার ফিরে আসতো তাহলে মোবাইল গেমসের আসক্ততা কমে আসতো কিশোরদের।
হোসেনপুর মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম তারেক নেওয়াজ বলেন, জীবনে অনেক খেলেছি এ লাটিম খেলা। ছোট বেলায় অনেক মধুর সময় কাটতো। গ্রামেই তৈরি করা হতো লাটিম, নরম কাঠ, গাব গাছের ডাল, পেয়ারা ও লৌহশলা দিয়ে লাটিম এবং ঘোরানোর জন্য পাট দিয়ে রশি বা ফিতা বানানো হতো।
উপজেলার লুলিকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন বলেন, আধুনিকতার ছোঁয়ায় কম্পিউটার গেমস ও ভিডিও গেমসসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে ব্যস্ত থাকে বর্তমান প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা। এসবের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে লাটিম খেলা। মোবাইল ফোনের আসক্তি থেকে ছেলেমেয়েদের বের করে আনতে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।