মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বগুড়ার সদরের পীরগাছা এলাকা থেকে প্রধান আসামি ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে মামলার আরেক আসামি মরদেহ পাওয়া বাড়ির মালিক সামছুল ইসলামকে পুলিশি হেফাজতে নেয়ার পর মামলা হলে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার গোপীনাথপুর এলাকার মোজাম্মেল আলীর ছেলে রেজ্জাকুল আলী ও তার স্ত্রী মোছা. সাবিনা খাতুন। গত কয়েকমাস ধরে তারা পাঁচবিবি উপজেলা ধরঞ্জী গ্রামে বসবাস করতেন।
.png)
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট র্যাব-৫ ক্যাম্পের অধিনায়ক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) পাঁচবিবি উপজেলার ধরঞ্জী বাজার এলাকার সামছুল ইসলামের বাড়ির গোসলখানা নির্মাণের জন্য টয়লেটের পাশে মাটি খনন করার সময় এক অজ্ঞাত মানুষের গলিত মরদেহ পাওয়া যায়। পরে মরদেহটি নাইম হোসেনের বলে শনাক্ত করে তার মা ও পরিবারের লোকজন।
তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় থানায় বাদী হয়ে এই মাসের ১০ সেপ্টেম্বর হত্যা মামলা করেন নাঈমের মা। তদন্তের একপর্যায়ে হত্যাকাণ্ডের আসামি শনাক্ত করতে সক্ষম হলে আসামি এরই মধ্যে আত্মগোপনে চলে যায়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান বগুড়ায় নিশ্চিত করার পর র্যাব -১২ বগুড়া ক্যাম্পের সহযোগিতায় আসামিদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পাঁচবিবি থানার ওসি জাহিদুল হক বলেন, মরদেহের প্যান্ট ও বেল্ট দেখে পরিচয় নিশ্চিত হয়ে নিহতের মা গোলাপী বানু বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় পরকীয়ার জেরে নাঈম হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
তিনি আরো বলেন, ভাড়াটিয়া রাজ্জাকের স্ত্রী সাবিনার সঙ্গে পরকীয়ার কারণে নাঈম হোসেনকে হত্যার পর মরদেহ গুম করতে মাটি খুঁড়ে লুকিয়ে রাখা হয়। আসামিদের বুধবার আদালতে পাঠানো হবে এবং রিমান্ড চাওয়া হবে।