রোববার চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউটে (টিআইসি) মুখে খাওয়ার কলেরা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
চসিক মেয়র বলেন, সারাদেশে এক সময় চসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের সুনাম ছিল। তবে পর্যাপ্ত মনোযোগ না পাওয়ায় এ বিভাগ তার ঐতিহ্য হারায়। আমরা চসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের দুর্দশা দূর করতে দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছি। যেমন মাতৃসদন হাসপাতালকে ঢেলে সাজিয়েছি, অর্থোপেডিক পুনর্বাসন কেন্দ্র গড়ে তুলেছি। মাতৃসেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল গড়ার পরিকল্পনাও আমাদের রয়েছে।
.png)
তিনি বলেন, ৪১টি ওয়ার্ডে ৫৬টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে মূলত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সেবা দেয় চসিক। করোনা মোকাবিলার পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীদের বিনামূল্যে পরীক্ষাও করেছে চসিক। তবে স্বাস্থ্যসেবার জন্য আমাদের সম্পূর্ণরূপে নিজেদের রাজস্ব আয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়। এজন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পেলে বর্তমান অবকাঠামো ও জনবল ব্যবহার করেই চসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের কার্যক্রম বাড়িয়ে আরো বেশি প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও লাইন ডাইরেক্টর, কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোলের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম, আইসিডিডিআরবির সিনিয়র কনসালটেন্ট ড. ফিরদৌসি কাদরী, জাতিসংঘ শিশু তহবিলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ফিল্ড অফিসের প্রধান মাধুরী বানার্জী প্রমুখ।