বৃহস্পতিবার যশোরের মণিরামপুর পৌরসভার দূর্গাপুর গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তানিয়া ওই গ্রামের নূরুল ইসলাম ময়নার স্ত্রী এবং উপজেলার সাতগাতী গ্রামের জাহাতাব গাজীর মেয়ে। তানিয়া আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন স্বামী ময়না।
তানিয়ার ভাই ওলি উল্লাহ জানান, ৬ মাস আগে নুরুল ইসলাম ময়নার সঙ্গে বিয়ে হয় তানিয়ার। কিছুদিন যেতেই তানিয়াকে বিভিন্ন সময় নির্যাতন করা হতো। সকালে আমাকে প্রথম ফোন দেয় ময়না। সে জানায়, তার বোন তানিয়া মারা গেছে। এসে দেখি গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঘরে ঝুলছে বোনের লাশ।
.png)
নিহতের স্বামী ময়না বলেন, সকাল ৮টার দিকে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘খেলা ঘর’ চলে যাই। পরে বেলা ১১টা নাগাদ বাড়িতে ফিরে দেখি ঘরে তানিয়ার লাশ ঝুলছে। তাৎক্ষণিক বিষয়টি তানিয়ার পরিবারকে জানাই।
জানা যায়, নূরুল ইসলাম ময়না এর আগে তিনটি বিয়ে করেছেন। অবশ্য সবার সঙ্গে তার বিচ্ছেদ ঘটেছে। অভিযোগ রয়েছে, তানিয়াকে বিয়ের পর গর্ভবস্থায় দুই মাসের সন্তান নষ্ট করতে বাধ্য করেন ময়না। এ নিয়ে সংসারে অশান্তি শুরু হয়।
মণিরামপুর থানার ওসি শেখ মনিরুজ্জামান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতন্তনের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।